* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

শিরোনাম:

যেকোনো মূল্যে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে : ওবায়দুল কাদের চালু হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক জবিতে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ‘আ’লীগের শিকড় দেশের মাটিতে প্রোথিত’ : শেখ হাসিনা আ’লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন চোখে অপারেশন না হলে আমিও গিয়ে ধান কাটতাম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রতিজ্ঞা আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে আরও ১৫ জেলা: রেলমন্ত্রী জন্মদিন উপলক্ষে শতাধিক পথশিশুদের খাবার খাওয়ালেন ছাত্রলীগ নেতা রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আইপি ক্যামেরার আওতায় আসছে সিলেট চলতি বছর যমুনার ওপর রেল সেতু বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৪৫ দেশের মধ্যে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে সব নাগরিককে পেনশন দেয়ার উদ্যোগ ২০২০ সাল থেকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রস্তুতি নেবে বাংলাদেশ আগামী বছরেই শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূয়সী প্রশংসা জাতিসংঘে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শতবর্ষব্যাপী ডেল্টা প্ল্যান নিয়ে কাজ চলছে : প্রধানমন্ত্রী

মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝরে

১২ মে, ২০১৯, ৫:৫৯ প্রিন্ট

ত্রি-ভুবনের সবচেয়ে মধুরতম শব্দ ‘মা’। এই ছোট্ট নামেই সব মমতার মধু মাখা। মা নামটি উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে হৃদয়ের অতল গহীনে যে আবেগ ও অনুভূতি রচিত হয়, তাতে অনাবিল সুখের আবেশ নেমে আসে। প্রতিক্ষণ-প্রতিদিন নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে সন্তানদের পৃথিবীতে চলার যোগ্য করে দেন যিনি, সেই নমস্য ‘মা’কে বছরে একটি দিন বিশেষভাবে মাতৃ ভক্তরা পালন করেন।

মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার আজ বিশ্ব মা দিবস। মাতৃ অন্তঃপ্রাণ সন্তানরা ‘জননী আমার তুমি, পৃথিবী আমার, মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝরে-এই কথাটুকুন প্রমাণে প্রাণের সবটুকু ভালোবাসা ঢেলে দিতে বহুমাত্রিক চেষ্টা করেন।’ তোমার তুলনা তুমিই ‘মা’ এই প্রতিপাদ্যে মা দিবস পালন নিয়ে উইকিপিডিয়া তুলে ধরেছে দুইটি ইতিহাস।

‘মা দিবসের’ প্রচলন শুরু হয় প্রথম প্রাচীন গ্রীসে। সেখানে প্রতি বসন্তকালে একটি দিন দেবতাদের মা ‘রিয়া’ যিনি ক্রোনাসের সহধর্মিণী তার উদ্দেশে উদযাপন করা হতো। ষোড়শ শতাব্দী থেকে এই দিনটি যুক্তরাজ্যেও উদযাপন করা হতো ‘মাদারিং সানডে’ হিসেবে। অপর ইতিহাস হলো- সর্ব প্রথম ১৯১১ সালের মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার আমেরিকাজুড়ে ‘মাদারিং সানডে’ নামে একটি বিশেষ দিন উদযাপন করা হয়। ১৯১৪ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন দিবসটিকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেন। এরপর দেশে দেশে মা দিবসটি পালনের রেওয়াজ ছড়িয়ে পড়ে।

পৃথিবীর সব দেশেই এই মা শব্দটিই কেবল সর্বজনীন। মা প্রথম কথা বলা শেখান বলেই মায়ের ভাষা হয় মাতৃভাষা। মা হচ্ছেন মমতা-নিরাপত্তা-অস্তিত্ব, নিশ্চয়তা ও আশ্রয়। মা সন্তানের অভিভাবক, পরিচালক, দার্শনিক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও বড় বন্ধু।

মাকে মহান আল্লাহ তা’য়ালা স্বীয় রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সালামের পরে সর্বোচ্চ আসন দিয়েছেন। পবিত্র আল কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমার প্রতিপালক আদেশ দিয়েছেন, তিনি ব্যতীত অন্য কারও ইবাদত না করতে এবং মাতা-পিতার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করতে। তাঁদের একজন অথবা উভয়ে তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাঁদের ‘উফ্’ বলবে না এবং তাঁদের ধমক দেবে না; তাঁদের সঙ্গে সম্মানসূচক কথা বলবে। মমতাবশে তাঁদের প্রতি নম্রতার ডানা প্রসারিত করো এবং বলো, ‘হে আমার প্রতিপালক! তাঁদের প্রতি দয়া করো, যেভাবে শৈশবে তাঁরা আমাকে প্রতিপালন করেছেন।’ (সুরা ইসরা-বনি ইসরাইল, ২৩-২৪)। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘সন্তানের জান্নাত মায়ের পদতলে।’

সনাতন হিন্দু ধর্মে মায়ের স্থান অনেক উঁচুতে। মনুসংহিতার শ্লোকে আছে: উপাধ্যায়ান্ দশাচার্য্য আচার্য্যণাং শতং পিতা। সহস্রন্ত্ত পিতৃন্মাতা গৌরবেণাতিরিচ্যতে। খ্রিষ্ট ধর্মেও মায়ের মর্যাদা উঁচু স্তরে। বৌদ্ধ ধর্মেও মা সব কিছুর ঊর্ধ্বে। অথচ মা দিবসের নামে এই মাকেও পাশ্চাত্য বেনিয়ারা বাণিজ্য লক্ষ্মী বানিয়েছে। মাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাতে নির্দিষ্ট দিন চালু করেছে তারা।

পাঠকের মতামত:

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে