* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

শিরোনাম:

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্যোগে চকরিয়ায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে নওগাঁয় ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল বা‌জেটকে স্বাগত জানিয়ে তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল অসহায় জামিলুরকে ব্যাটারি চালিত রিকশা দিলেন ছাত্রলীগ সম্পাদক বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে বুয়েট ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল ‘শুধু একটা স্বপ্নপূরণে মৃত্যুকে হাতে নিয়ে ফিরে এসেছি’ – শেখ হাসিনা প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের সদস্য হলেন ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন ও সঞ্জিত চন্দ্র দাস অার্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী চকরিয়া ও মাতামুহুরি সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রলীগের যৌথ উদ্যোগে দোয়া মাহফিল শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে ছাত্রলীগের গণসংযোগ শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সেই খামারিকে অার্থিক অনুদান সেই খামারিকে ২০০ হাঁস কেনার টাকা দিলেন নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগ নেতা ফেলানীর পরিবারের পাশে ছাত্রলীগ সভাপতি শোভন হাঁস হারানো অসহায় আবুল কাশেমের পাশে ছাত্রলীগ

অনিয়মিত অভিবাসনকে আমরা কখনও উৎসাহ দেই না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

২১ মে, ২০১৯, ১:০৫ প্রিন্ট

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, অনিয়মিত অভিবাসনকে আমরা কখনও উৎসাহ দেই না। মঙ্গলবার (২১ মে) দুপুরে রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে ‘ব্র্যাক মাইগ্রেশন অ্যাওয়ার্ড ২০১৮’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘ভূমধ্যসাগর একজনও যদি পার হতে সফল হন, সেটা কখনও উদাহরণ হতে পারে না। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা আমাদের পরিষ্কার নির্দেশনা দিয়েছেন, আমরা কখনও অনিয়মিত অভিবাসনকে উৎসাহ দেবো না। সেজন্য আমরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) স্বাক্ষর করেছি। আমরা অনিয়মিত অভিবাসীদের দেশে ফিরিয়ে আনার সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। যেখান থেকে ফিরিয়ে আনতে বিফল হয়েছি, সেখানে আমরা সফলভাবে মধ্যস্থতার মাধ্যমে রিহায়ারিং বা অন্য কোনও উপায়ে সমাধান করেছি। আমি আশা করছি, একটি শ্রমবাজারের বিষয়ে খুব শিগগিরই একটি সুসংবাদ পাবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘‘সাংবাদিক বন্ধুদের বলবো, যে বিপদগুলো অপেক্ষা করছে সে সম্পর্কে লিখুন। এটা সরকার যতই বলুক না কেন, একজন দালাল গিয়ে যখন তার পিতামাতাকে বলবে ‘আগে কোনও টাকা দিতে হবে না, পৌঁছানোর পর টাকা দিলে হবে’ কিন্তু এই যে যাত্রাপথে সে যে বেঁচে থাকবে না, এই বিষয়টি আমরা অনেক সময় মেনে নিতে পারি না। এটা প্রতিনিয়ত মানুষকে জানাতে হবে, এটা সরকারের অবশ্যই দায়িত্ব, কিন্তু সাংবাদিক বন্ধুরা আমাদের সহযোগিতা করতে পারেন।’’

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘আমাদের দেশের তৃণমূল পর্যায়ে এত অনলাইন পত্রিকা, সেই জায়গায় ওই উপজেলায় কিংবা জেলায় কে দালালের কাজটা করে, এটা স্থানীয় সাংবাদিকের পক্ষে বের করা মোটেও কঠিন কাজ না। সাংবাদিকরা চাইলে বের করে ফেলতে পারেন, করলে আমরা লাভবান হবো। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই, অভিবাসন খাতে আমাদের সরকার কোনও অবৈধ পন্থা সহ্য করবে না। ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় এরইমধ্যে কয়েকজনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।’

প্রধান বক্তার বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘আজকে সাধারণ মানুষের যে প্রত্যাশা, তাদের যে আশা আকাঙ্ক্ষা, সেগুলোর প্রতিফলন গণমাধ্যমে থাকবে। আর বিদেশে যারা কর্মরত আছেন, তাদের যে অসুবিধাগুলো আছে, সেগুলো সম্পর্কে গণমাধ্যমে তুলে ধরতে হবে। গণমাধ্যমে এলেই দেখা যাবে সরকার সে বিষয়গুলো নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে। সরকারের নিজস্ব তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়া আছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় আছে। সেগুলোকে আরও জোরদার করতে হবে। গণমাধ্যমের কাজই তো নজরদারি করা। গণমাধ্যম সারাক্ষণ রাডারের মতো কাজ করবে।’

এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতেই ব্র্যাকের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেন, ‘অভিবাসীর কথাগুলো হলো অজানা কথা। তাদের কথা সচরাচর শোনা যায়। তাদের কথা শোনার একমাত্র উপায় হলো গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ভূমিকা বিগত কয়েক বছরে পরিবর্তন হয়েছে, বিশেষ করে সামাজিক মাধ্যমগুলোর আবির্ভাবের পর। সামাজিক মাধ্যমের বদৌলতে এখন সবাই সাংবাদিকতা করতে চান। একই সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা পরিবেশন করা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, সামাজিক মাধ্যমে যা আসে সব কিন্তু সত্য ঘটনা না। অন্যদিকে, অনেক গণমাধ্যমের বার্তা বিভাগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, এতে অনেক সাংবাদিক বেকার হয়ে পড়ছেন। এটি খুব উদ্বেগজনক। টেলিভিশন চ্যানেল এখন নিউজকে অপ্রয়োজনীয় মনে করছে। সুশীল সমাজের অংশ হিসেবে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন।’

এরপর ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের প্রধান শরিফুল হাসান ২০১৮ সালে গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে সাতটি ক্যাটাগরিতে ১৩ জন সাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন— আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম’র বাংলাদেশ মিশন প্রধান গিওরগি গিগাওরি, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ফজলুর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ও আইওএমের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত ‘বাংলাদেশ সাস্টেইনেবল রিইন্ট্রিগেশন অ্যান্ড ইম্প্রুভ মাইগ্রেশন গভর্নেন্স-প্রত্যাশা’ প্রকল্পের আওতায় এ বছর এই অনুষ্ঠান আয়োজন করে ব্র্যাক।

পাঠকের মতামত:

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে