* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

শিরোনাম:

ধানের ন্যায্য মূল্যের দাবিতে নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগের স্মারকলিপি প্রদান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অন্তর্গত সকল ইউনিটের উদ্দেশ্যে প্রেস বিজ্ঞপ্তি ধানের ন্যায্য মূল্যের দাবিতে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের স্মারকলিপি প্রদান ধানের ন্যায্য মূল্যের দাবিতে গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের স্মারকলিপি প্রদান কৃষকের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দিল মমেক ছাত্রলীগ ঈদযাত্রায় স্বস্তি দিতে বিআরটিসির ১১৪২টি বাস : ওবায়দুল কাদের এক দশকে দুর্নীতির বেড়াজাল ঠেলে সমৃদ্ধি ও অগ্রগতিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ শপথ নিলেন ময়মনসিংহের মেয়র ও কাউন্সিলররা দ্বীন মোহাম্মদ হাসপাতালে চোখের ফলোআপ করালেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ছাত্রলীগের নতুন কমিটির শ্রদ্ধা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার দাবিতে কুবি ছাত্রলীগের স্মারকলিপি ফরিদপুরে কৃষকের ধান কেটে দিলো ছাত্রলীগ অাজ জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করবে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ধানের ন্যায্য মূল্যের দাবিতে পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের স্মারকলিপি প্রদান এতিম শিশুদের মাঝে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের ইফতার বিতরণ সরকারি মূল্যে ধান কিনতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসককে দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের স্মারকলিপি গাজীপুরে দুই কৃষকের ধান কেটে পৌঁছে দিলো ছাত্রলীগ নেতা ইমরান ধান কাটা ও মাড়াই কাজে কৃষকের পাশে পলাশবাড়ি উপজেলা ছাত্রলীগ মানিকগঞ্জে ধান কাটা ও মাড়াই কাজে কৃষকের পাশে ছাত্রলীগ কৃষকের কাছ থেকে সরাসরি ধান কেনার দাবিতে ছাতক ছাত্রলীগের স্মারকলিপি

বখাটেকে ছাত্রীর পায়ে ধরে মাফ চাওয়ালেন ছাত্রলীগ নেতা

১১ এপ্রিল, ২০১৯, ৮:১৬ প্রিন্ট

এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার দায়ে বখাটেকে ছাত্রীর পায়ে ধরে মাফ চাওয়ালেন ছাত্রলীগ নেতা মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুন্সি। রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় গাউছিয়া মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ বিন মুন্সি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল শাখা ছাত্রলীগের স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে কেন্দ্রীয় পদ প্রত্যাশী ওই ছাত্রলীগ নেতার সাহসী পদক্ষেপে ছাত্রীর পায়ে ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হয় ওই বখাটে। পুরো ঘটনাটি বর্ণনা দিয়ে ওই ছাত্রলীগ নেতা ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তার সেই স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো :

নিউমার্কেটে গাউছিয়া মার্কেটের সামনের দিকের ফুটপাতে এক আপুর গায়ে এক (?) দোকানদার হাত দিয়েছিলো! ঘটনার কাছাকাছি ছিলাম। আপুর কাছ থেকে শুনে তাকে খুঁজতে গিয়ে দেখি দৌড় দিয়ে গাউছিয়া আর নিউমার্কেটের মোড়ে চলে গেছে। দৌড়িয়ে শার্টের কলার ধরে এনে ওই আপুর সামনে নিয়ে আসি।

ততক্ষণে দোকানদাররা একজোটও হয়ে গেছে। ছাত্রলীগের পরিচয় দিয়ে শাউট করার পর ওরা কিছুটা নম্র হয়েছে। থানায় ফোন দিব ওই অবস্থায় দেখলাম সব কয়টা চুপসে গেছে।

ওই আপু, পিশাচটার সামনে আবার ঘটনা বলার পর দোকানদার শুরুতে অস্বীকার করলেও পরে ভুল স্বীকার করে। কয়েকটা থাপ্পড় দেওয়ার পর অবস্থা যখন বেগতিক তখন দোকানদারদের মধ্যেই একজন এসে বিচারের দায়িত্ব নিয়ে তাকে পুনরায় চড়-থাপ্পড় দেয়। ওর ঘাড়ে ধরে মেয়েটার পায়ে ধরিয়ে ক্ষমা চাওয়াই।

থানার কথা বললে আপুটা বলে ঝামেলা আর বাড়ানোর দরকার নেই। আমিও আগ বাড়িয়ে আর পুলিশকে ইনভোলবড করাইনি। সবচেয়ে অবাক করার মতো ব্যাপার হচ্ছে, এতোকিছু হচ্ছে এতোগুলো পুরুষ/ছেলেদের মত দেখতে ভেড়ার পাল সামনে দর্শকের ভূমিকায়ই থাকলো। কেউ একটা কথা পর্যন্ত বললোনা!

আসলে এইসব ব্যাপারে প্রতিবাদ বা কথা বলেতো লাভ নাই! তারা “গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না” টিশার্ট এর মাধ্যমে ধূলিস্যাৎ হয়ে যাওয়া পুরুষত্ব উদ্ধারের কাজে অনলাইন/অফলাইনে যুদ্ধে ব্যস্ত।

(ঝামেলা চলাকালীন হাতাহাতি আর ধাক্কাধাক্কিতে পায়ে একটু ব্যাথা পাইছি। বাকিসব ঠিকঠাক)

বি : দ্র : জুতার দোকানদারের নাম মিন্টু মিয়া।
ক্রসচেক করতে চাইলে খোজ নিতে পারেন।

পাঠকের মতামত:

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে