* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

শিরোনাম:

যেকোনো মূল্যে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে : ওবায়দুল কাদের চালু হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক জবিতে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ‘আ’লীগের শিকড় দেশের মাটিতে প্রোথিত’ : শেখ হাসিনা আ’লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন চোখে অপারেশন না হলে আমিও গিয়ে ধান কাটতাম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রতিজ্ঞা আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে আরও ১৫ জেলা: রেলমন্ত্রী জন্মদিন উপলক্ষে শতাধিক পথশিশুদের খাবার খাওয়ালেন ছাত্রলীগ নেতা রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আইপি ক্যামেরার আওতায় আসছে সিলেট চলতি বছর যমুনার ওপর রেল সেতু বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৪৫ দেশের মধ্যে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে সব নাগরিককে পেনশন দেয়ার উদ্যোগ ২০২০ সাল থেকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রস্তুতি নেবে বাংলাদেশ আগামী বছরেই শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূয়সী প্রশংসা জাতিসংঘে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শতবর্ষব্যাপী ডেল্টা প্ল্যান নিয়ে কাজ চলছে : প্রধানমন্ত্রী

ইতিহাসের চোখে মুক্তিযুদ্ধ এবং মুজিবনগর সরকার

১৬ এপ্রিল, ২০১৯, ৮:৫৪ প্রিন্ট

মুজিবনগর সরকারই স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রথম কার্যকরী সরকার। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি), তাজউদ্দিন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলীকে অর্থমন্ত্রী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করা হয় এ সরকারে।

ফিরে দেখা: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহাকুমার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। তৎকালীন সময়ে মেহেরপুর মুক্ত এলাকা হওয়ার কারণে এবং ১০ এপ্রিল এম. এন. এ ও এমপিদের কুষ্টিয়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অনুষ্ঠিত অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে যুদ্ধ পরিচালনা ও পাক হানাদার বাহিনীকে আমাদের স্বদেশ ভূমি থেকে বিতাড়িত করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমান ঘোষিত এবং নির্দেশিত পথে মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জনের জন্য মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়।

১০ এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয় এইদিন। বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে সৈয়দ নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। পবিত্র কোরান তেলওয়াতের পর বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন এবং নবগঠিত সরকারকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এমনিভাবেই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত সংসদের নেতৃত্বে একটি সাংবিধানিক সরকার বিশ্বের বুকে আত্মপ্রকাশ করে।

মুজিবনগর সরকার গঠনের সময় যে ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়েছিল তার ৬ষ্ঠ অনুচ্ছেদে লেখা ছিল- ‘বাংলাদেশের সাড়ে সাত কোটি জনগণের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার অর্জনের আইনানুগ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ ঢাকায় যথাযথভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য বাংলার জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান’।

মুজিবনগর সরকার গঠনের দিনটি বাঙালি জাতির জীবনে এক অবিস্মরণীয় গৌরবগাঁথা দিন। যে সকল মুক্তিযোদ্ধারা এদেশকে স্বাধীন করার জন্য গেরিলা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন এবং নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মুজিবনগর সরকার ছিল তাদের ঐক্য ও নির্দেশনার প্রতীক।

পাঠকের মতামত:

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে