* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

শিরোনাম:

যেকোনো মূল্যে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে হবে : ওবায়দুল কাদের চালু হচ্ছে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক জবিতে ছাত্রলীগের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ‘আ’লীগের শিকড় দেশের মাটিতে প্রোথিত’ : শেখ হাসিনা আ’লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন চোখে অপারেশন না হলে আমিও গিয়ে ধান কাটতাম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সোনার বাংলাদেশ গড়ার প্রতিজ্ঞা আ. লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে আরও ১৫ জেলা: রেলমন্ত্রী জন্মদিন উপলক্ষে শতাধিক পথশিশুদের খাবার খাওয়ালেন ছাত্রলীগ নেতা রোহিঙ্গা পুনর্বাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আইপি ক্যামেরার আওতায় আসছে সিলেট চলতি বছর যমুনার ওপর রেল সেতু বাংলাদেশ এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের ৪৫ দেশের মধ্যে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে সব নাগরিককে পেনশন দেয়ার উদ্যোগ ২০২০ সাল থেকে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রস্তুতি নেবে বাংলাদেশ আগামী বছরেই শতভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুৎ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূয়সী প্রশংসা জাতিসংঘে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শতবর্ষব্যাপী ডেল্টা প্ল্যান নিয়ে কাজ চলছে : প্রধানমন্ত্রী

বইমেলা বাঙালির ‘প্রাণের মেলা’ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ৬:৪৩ প্রিন্ট

অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শুক্রবার বিকালে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলার’ উদ্বোধন করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী বই মেলার পর্দা উঠলো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বইমেলা কেবল বই কেনা-বেচার জন্য নয়, বইমেলা বাঙালির ‘প্রাণের মেলা’।

তিনি বলেন, যতই আমরা যান্ত্রিক হই না কেন, বইয়ের চাহিদা কখনো শেষ হবে না। নতুন বইয়ের মলাট, বই শেলফে সাজিয়ে রাখা, বইয়ের পাতা উল্টে পড়ার মধ্যে যে আনন্দ আছে, আমরা সবসময় তা পেতে চাই।

এ সময় তিনি নিরাপত্তার বেড়াজালের কারণেই নিয়মিত বইমেলায় আসতে না পারার কষ্টের কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগে যখন ক্ষমতায় ছিলাম না, তখন এই মেলায় অনবরত ঘুরে বেড়াতাম। আর এখন অনেকটা বন্দি জীবন, এখন ইচ্ছা থাকলেও আসা যায় না। আর আসলেও অন্যের অসুবিধা হয়।… সত্যি কথাটা কি, মনটা পড়ে থাকে বইমেলায়।

বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় কবি শঙ্খ ঘোষ, মিশরীয় লেখক-গবেষক মুহসেন আল আরিসি।

বইমেলার উদ্বোধন ঘোষণার আগে প্রধানমন্ত্রী এবারের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাওয়া চারজনের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।

কবিতায় কবি কাজী রোজী, কথাসাহিত্যে মনোরোগ চিকিৎসক মোহিত কামাল, প্রবন্ধ ও গবেষণায় বাংলা অ্যাকাডেমির সাবেক মহাপরিচালক সৈয়দ মোহাম্মদ শাহেদ এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাহিত্যের জন্য গবেষক-কলামনিস্ট আফসান চৌধুরী এবার এ পুরস্কার পেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে ‘সিক্রেট ডকুমেন্টস অব ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চ অন ফাদার অফ দা নেশন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ বইয়ের দ্বিতীয় খণ্ডের মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মিশরীয় সাংবাদিক-গবেষক মুহসেন আল আরিসির লেখা ‘হাসিনা হাকাইক আসাতি’ বইটির একটি কপি এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

মুসলিম প্রধান একটি দেশে একজন নারী হয়ে নেতৃত্বে এসে শেখ হাসিনা কীভাবে মানুষের দিনবদলের রূপকার হয়ে উঠলেন, সেই বিবরণ এই বইয়ে তুলে ধরেছেন আরিসি। বইটির বাংলা তর্জমার শিরোমান ‘শেখ হাসিনা: যে রূপকথা শুধু রূপকথা নয়’।

দুই মলাটের ভেতরে কাগুজে বইয়ের প্রতি ভালোবাসার কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে এ বইকে ডিজিটাল দুনিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার কথা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, অনলাইনে বই থাকলে তা বিশ্বের সবার কাছে দ্রুত পৌঁছে যায়। ডিজিটাল লাইব্রেরি হওয়া প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।

দেশের স্বাধীনতা, রাষ্ট্রভাষা আর ইতিহাস নিয়ে নতুন প্রজন্মকে জানাতে আরও বেশি বই প্রকাশের আহ্বান জানান সরকারপ্রধান।

জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের সভাপতিত্বে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রামেন্দু মজুমদার।

অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবিবুল্লাহ সিরাজী। অন্যদের মধ্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবুও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

পাঠকের মতামত:

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে