* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

শিরোনাম:

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের উদ্যোগে চকরিয়ায় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে নওগাঁয় ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল বা‌জেটকে স্বাগত জানিয়ে তিতুমীর কলেজ ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল অসহায় জামিলুরকে ব্যাটারি চালিত রিকশা দিলেন ছাত্রলীগ সম্পাদক বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে বুয়েট ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল ‘শুধু একটা স্বপ্নপূরণে মৃত্যুকে হাতে নিয়ে ফিরে এসেছি’ – শেখ হাসিনা প্রস্তাবিত বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেটের সদস্য হলেন ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন ও সঞ্জিত চন্দ্র দাস অার্থিক অনুদানের চেক হস্তান্তর করলেন প্রধানমন্ত্রী চকরিয়া ও মাতামুহুরি সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রলীগের যৌথ উদ্যোগে দোয়া মাহফিল শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাচন উপলক্ষে ছাত্রলীগের গণসংযোগ শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গাজীপুর মহানগর ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে সেই খামারিকে অার্থিক অনুদান সেই খামারিকে ২০০ হাঁস কেনার টাকা দিলেন নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগ নেতা ফেলানীর পরিবারের পাশে ছাত্রলীগ সভাপতি শোভন হাঁস হারানো অসহায় আবুল কাশেমের পাশে ছাত্রলীগ

৭৭ ভাগ মানুষ শেখ হাসিনাকে, ২৩ ভাগ বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায়

২৯ নভেম্বর, ২০১৮, ৩:৫৪ প্রিন্ট

শেখ হাসিনার ইমেজ এবং জনপ্রিয়তা আওয়ামী লীগের একমাত্র ভরসা। শুধু শেখ হাসিনার ক্যারিশমাতেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হতে পারে দলটি। শেখ হাসিনা যদি প্রধানমন্ত্রী না থাকেন, কিংবা তিনি যদি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে না পারেন, তাহলে আগামী নির্বাচনে দলটির ভরাডুবির আশঙ্কা রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘বাংলাদেশ: ২০১৮, প্রাক-পূর্বাভাসে’ এরকম মন্তব্য করা হয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন, রাজনৈতিক সংকট এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যত সম্পর্কে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করেছে। মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রধান শক্তি হলো দলটির প্রধান শেখ হাসিনা। ২০১৮ তে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যদি শেখ হাসিনাকে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে নির্বাচন করতে হয়, তাহলে দলটির ক্ষমতায় ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজস্ব উদ্যোগে পরিচালিত জরিপে বলছে, সহায়ক সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ সর্বোচ্চ ১০০ আসনে বিজয়ী হতে পারে। এরকম পরিস্থিতিতে নির্বাচনে বিএনপির সর্বোচ্চ দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবার নির্বাচন যদি শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রীত্বে হয়, সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে এবং টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় যাবে। এই বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ আর যাই হোক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নেবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ জরিপ উদ্ধৃত করে বলছে, এর কারণে কোনো দলই তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না। বিএনপিও নিশ্চিত পরাজয়ের নির্বাচনে অংশগ্রহণে সম্মত হবে না।

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, দেশে অন্তত ৭৭ ভাগ মানুষ শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। ৭৯ ভাগ মানুষ মনে করে শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে সৎ এবং দেশের ভালোর জন্য কাজ করছেন। ৮৭ ভাগ মানুষ মনে করেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, এই মুহূর্তে একক জনপ্রিয়তায় শেখ হাসিনার পরই বেগম জিয়ার অবস্থান। ২৩ ভাগ মানুষ বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। তবে মাত্র ১১ ভাগ মানুষ বিশ্বাস করে বেগম জিয়া ব্যক্তিগত ভাবে সৎ। আর মাত্র ৩ ভাগ মানুষ বিশ্বাস করে, বেগম জিয়ার নেতৃত্বে দেশে উন্নতি হয়েছে। ১০ ভাগ মানুষ মনে করে এরশাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশে উন্নতি হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক ইমেজ খুঁইয়েছে। শেখ হাসিনা ছাড়া দলটি অস্তিত্বের সংকটেও পড়তে পারে। দলটির প্রধান সমস্যা দলের দ্বিতীয় প্রধান নেতা নেই।

সূত্র: ভোরের পাতা

পাঠকের মতামত:

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে