* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

শিরোনাম:

চকরিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালিত বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল প্রেস বিজ্ঞপ্তি আপোষহীন মহানায়ক বঙ্গবন্ধু সাধারণ মানুষের হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে। জঙ্গিবাদের মূলোৎপাটনের দাবিতে ছাত্রলীগের মৌন মিছিল বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিল তারেক রহমান: শোভন প্রেস বিজ্ঞপ্তি জাতির পিতার রক্তের ঋণ শোধ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে ‘ফ্রেন্ড অব দ্য ওয়ার্ল্ড’ আখ্যা জাতীয় শোক দিবসে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ “সেই কালো রাত এবং বঙ্গবন্ধু” বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফেরাতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা হয়েছে: কাদের কক্সবাজারকে দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে কোরবানি পশুর বর্জ্য পরিষ্কার করলো জেলা ছাত্রলীগ শোক দিবসে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রাণের মানুষদের সমাধিতে গোলাপের পাপড়ি ছড়ালেন শেখ হাসিনা ১৫ ই আগষ্টের খুনি ও ২১ শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলাকারীদের শাস্তির দাবিতে যশোর ছাত্রলীগের মানববন্ধন আজ পিতা হারানোর শোকে কাঁদবে বাঙালি “সেই কালো রাত এবং বঙ্গবন্ধু” আগস্টের শোক হোক বাঙালির শক্তি আগস্টের শোক হোক বাঙালির শক্তি

৭৭ ভাগ মানুষ শেখ হাসিনাকে, ২৩ ভাগ বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চায়

২৯ নভেম্বর, ২০১৮, ৩:৫৪ প্রিন্ট

শেখ হাসিনার ইমেজ এবং জনপ্রিয়তা আওয়ামী লীগের একমাত্র ভরসা। শুধু শেখ হাসিনার ক্যারিশমাতেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হতে পারে দলটি। শেখ হাসিনা যদি প্রধানমন্ত্রী না থাকেন, কিংবা তিনি যদি নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করতে না পারেন, তাহলে আগামী নির্বাচনে দলটির ভরাডুবির আশঙ্কা রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘বাংলাদেশ: ২০১৮, প্রাক-পূর্বাভাসে’ এরকম মন্তব্য করা হয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের আগামী নির্বাচন, রাজনৈতিক সংকট এবং গণতন্ত্রের ভবিষ্যত সম্পর্কে একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন তৈরি করেছে। মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রধান শক্তি হলো দলটির প্রধান শেখ হাসিনা। ২০১৮ তে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে যদি শেখ হাসিনাকে শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে নির্বাচন করতে হয়, তাহলে দলটির ক্ষমতায় ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা নেই। ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিজস্ব উদ্যোগে পরিচালিত জরিপে বলছে, সহায়ক সরকার বা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ সর্বোচ্চ ১০০ আসনে বিজয়ী হতে পারে। এরকম পরিস্থিতিতে নির্বাচনে বিএনপির সর্বোচ্চ দুই তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবার নির্বাচন যদি শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রীত্বে হয়, সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবে এবং টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় যাবে। এই বাস্তবতায় আওয়ামী লীগ আর যাই হোক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি মেনে নেবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন, প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ জরিপ উদ্ধৃত করে বলছে, এর কারণে কোনো দলই তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না। বিএনপিও নিশ্চিত পরাজয়ের নির্বাচনে অংশগ্রহণে সম্মত হবে না।

তবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, দেশে অন্তত ৭৭ ভাগ মানুষ শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। ৭৯ ভাগ মানুষ মনে করে শেখ হাসিনা ব্যক্তিগতভাবে সৎ এবং দেশের ভালোর জন্য কাজ করছেন। ৮৭ ভাগ মানুষ মনে করেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, এই মুহূর্তে একক জনপ্রিয়তায় শেখ হাসিনার পরই বেগম জিয়ার অবস্থান। ২৩ ভাগ মানুষ বেগম জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। তবে মাত্র ১১ ভাগ মানুষ বিশ্বাস করে বেগম জিয়া ব্যক্তিগত ভাবে সৎ। আর মাত্র ৩ ভাগ মানুষ বিশ্বাস করে, বেগম জিয়ার নেতৃত্বে দেশে উন্নতি হয়েছে। ১০ ভাগ মানুষ মনে করে এরশাদের নেতৃত্বে বাংলাদেশে উন্নতি হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলছে, আওয়ামী লীগ তার রাজনৈতিক ইমেজ খুঁইয়েছে। শেখ হাসিনা ছাড়া দলটি অস্তিত্বের সংকটেও পড়তে পারে। দলটির প্রধান সমস্যা দলের দ্বিতীয় প্রধান নেতা নেই।

সূত্র: ভোরের পাতা

পাঠকের মতামত:

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে