* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

শিরোনাম:

শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান ছাত্রলীগ সভাপতি শোভনের গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মাঝে ছাত্রলীগের ত্রাণ বিতরণ ছাত্রলীগের উদ্যোগে মধুর ক্যান্টিনে বিনামূল্যে স্যালাইন বিতরণ শুরু চকরিয়ায় বন্যার্তদের মাঝে ছাত্রলীগের ত্রাণ বিতরণ ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা ভয়ঙ্কর মিথ্যা অভিযোগ করেছেন: জয় লন্ডনে আয়োজিত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণে আওয়ামী লীগের ছয় টিম আমরা সেই ছাত্রলীগ চাই, যেন বাবা-মা তার সন্তানকে নিয়ে গর্ব করে: গোলাম রাব্বানী সম্মেলনে জরুরী চিকিৎসা সেবা প্রদানে ‘মেডিকেল টিম’ রাখার নির্দেশ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের জবি ছাত্রলীগ কর্মী ওয়াসিরের অকাল মৃত্যুতে ছাত্রলীগ পরিবার গভীর শোকাহত প্রিয়া সাহার অভিযোগের তথ্য ভিত্তিহীন জানালেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার শুভ সূচনা করলো হাজী মুহম্মদ মুহসীন হল শিল্পকর্ম প্রদর্শনী-২০১৯ বাংলাদেশের বাঁকে বাঁকে ছাত্রলীগ অবদান রেখেছে : শোভন পঞ্চগড় জেলা শাখার সম্মেলন ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার সম্মেলন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ঝিনাইদহ জেলা শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটির সবাইকে অভিনন্দন।। প্রেস বিজ্ঞপ্তি অপারেশন হতে যাচ্ছে মুহসিন হলের প্রিয় রহিম মামার বাঁশিতে ফু দিয়ে বেনাপোল ও বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ অক্টোবর, ২০১৮, ৭:১১ প্রিন্ট

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সালে সংঘটিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে গেৱিলাযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে।[২১] ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ঢাকায় অজস্র সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশ ও ই.পি.আর.-কে হত্যা করে এবং ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতাপ্রাপ্ত দল আওয়ামী লীগ প্রধান বাঙালিদের তৎকালীন জনপ্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। পার্বত্য চট্টগ্ৰামেৱ কালুৱঘাট বেতাৱ কেন্দ্ৰো থেকে ৮ম পূৰ্ব বেঙ্গল ৱেজিমেন্টেৱ উপ প্ৰধান মেজৱ জিয়াউর ৱহমান ও চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের নেতা এম. এ. হান্নান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। প্রতিষ্ঠিত হয় বাঙালি জাতির স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ [২২][২৩][২৪][২৫][২৬]

পরিকল্পিত গণহত্যার মুখে সারাদেশে শুরু হয়ে যায় প্রতিরোধযুদ্ধ; জীবন বাঁচাতে কয়েক হাজাৱ আওয়ামী লীগেৱ নেতাৱা পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে। পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর), ইস্ট পাকিস্তান পুলিশ, সামরিক বাহিনীর বাঙালি সদস্য এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী সাধারণ মানুষ দেশকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর কব্জা থেকে স্বাধীন করতে কয়েক মাসের মধ্যে গড়ে তোলে মুক্তিবাহিনী। গেরিলা পদ্ধতিতে যুদ্ধ চালিয়ে গেৱিলা বাহিনী সারাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে নুন্যতম অর্থনৈতিক, সামরিক ও কূটনৈতিক সাহায্য লাভ করে। ডিসেম্বরের শুরুর দিকে যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর পতন অনিবার্য হয়ে ওঠে, তখন তারা গেৱিলা বাহিনীর কাছে পরাজয়ের লজ্জা এড়াবার জন্য এবং স্বাধীনতা যুদ্ধকে আন্তর্জাতিক সংঘর্ষে পরিণত করার উদ্দেশ্যে ৩ ডিসেম্বর ভারতে বিমান হামলার মাধ্যমে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়।

অত:পর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরিভাবে জড়িয়ে পড়ে। মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সম্মিলিত আক্রমণের মুখে ইতোমধ্যে পর্যদুস্ত ও হতোদ্যম পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী যুদ্ধ বিৱতীৱ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান ৯৩,০০০ হাজার সৈন্যসহ আক্শ্মীকভাবে যুদ্ধবিৱতী বদলে আত্মসমর্পণের দলীল সই করে। এসময় পাকিস্তানি বাহিনীর পক্ষ থেকে দলীলে সই করেন আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি। এরই মাধ্যমে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান হয়।

পাঠকের মতামত:

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে