* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

শিরোনাম:

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদান ন্যামে তুলে ধরা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

29 October, 2019, 12:21 প্রিন্ট

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা, সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিতকরণ ও এসডিজি বাস্তবায়নে বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ মানুষের বহুপাক্ষিক ফোরাম জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ন্যামের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা, বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অবদান, পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণে আমাদের অঙ্গীকার, ফিলিস্তিনি জনগণসহ বিশ্বব্যাপী শোষিত মানুষের পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকেল চারটার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলন তিনি এসব বলেন। জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৮তম শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদান উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) আজারবাইজান যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চার দিনের সফর শেষে রোববার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় দেশে ফেরেন তিনি।

ন্যাম সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও সংঘর্ষ পরিহারে সাংস্কৃতিক মূল্যবাবোধের ওপর আমি জোর দিই। এছাড়া একটি শান্তিপূর্ণ, স্থিতিশীল ও সম্প্রীতিময় বিশ্ব নির্মাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার বিষয়ে আমি গুরুত্বারোপ করি। দেশে চলমান সংঘাত নিরসন, এসডিজি বাস্তবায়ন, পরমাণু অস্ত্র নিরন্ত্রিকরণ, ফিলিস্তিনি সমস্যার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশে চলমান সংঘাত নিরসনে জনগণের মুক্তির বিষয়ও আমার বক্তব্যে উঠে এসেছে।’বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, সমসাময়িক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ের পাশাপাশি আমি বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক সাফল্যসহ দারিদ্র্য দূরীকরণ, চিকিৎসা সেবা, নারী উন্নয়ন, লিঙ্গ সমতা নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের অর্জনসমূহ সকলের সামনে তুলে ধরি। বিশেষ করে বাংলাদেশে বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়টি উল্লেখপূর্বক আমি সন্ত্রাসবাদ, উগ্রপন্থা, মাদকপাচার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সরকারের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আমার বক্তৃতায় জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও রোহিঙ্গা সমস্যাকে বাংলাদেশের জন্য প্রধান দুটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে তুলে ধরেছি। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

তিনি আরও বলেন, ‘ন্যাম-এ প্রদত্ত ভাষণে ফিলিস্তিনি জনগণের মুক্তির বিষয়টি উল্লেখ করা এবং জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থনের জন্য ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে ধন্যবাদ জানান ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় ফিলিস্তিনের হেবরনে অবস্থিত একটি সড়কের নাম বঙ্গবন্ধুর নামে নামকরণ করা হবে বলে ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, রোহিঙ্গা সমস্যাসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ন্যামের সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে একযোগে কাজ করার বিষয়গুলো বিশ্ববাসীকে অবহিত করা সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘের পাশাপাশি ন্যামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের কিছুদিন পরেই দ্বিতীয় বৃহত্তম এই বহুপাক্ষিক ফোরামে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণ আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশের অবস্থানকে জোরদার করেছে।’

পাঠকের মতামত:

এ পাতার আরও সংবাদ

উপরে